ঘোষনা :
দৌলতপুর নিউজ ২৪ ডটকমে  আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ জানতে দৌলতপুর নিউজ ২৪ ডটকমের সাথে থাকুন ।
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু পরিস্থিতি পরিদর্শনে আইইডিসিআর এর প্রতিনিধি দল এখন দৌলতপুর আড়িয়া ছাতারপাড়ায় দৌলতপুরে আওয়ামীলীগ নেতা ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব মখলেসুর রহমানের মৃত্যুতে বাদশাহ্ এম,পির শোক কুষ্টিয়া মিরপুরে বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । ১ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রেনের ছাদে উঠলেই কারাদণ্ড কুষ্টিয়ার মিরপুরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার ‘জিয়া ও খালেদার হুঙ্কারে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়েছিল মিয়ানমার’ কুষ্টিয়া দৌলতপুর কলেজে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন। দৌলতপুরে জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান॥ আলিফ ফার্মেসী মালিকের ২০ হাজার টাকা জরিমানা কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার বড়গাংদিয়া এলাকার একটি জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এন, ডি,আর আলোকিত সংস্থা বিলুপ্ত ঘোষণা। কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের ছাতারপাড়া গ্রামে ৩৮ জনের পর আরো দু’জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত!
পুরাতন খবর খুজছেন ?

কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় ১০ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৯
  • ২২ ৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ায় এক দিনে ১০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর হাসপাতালে ভর্তির খবর পাওয়া গেছে। কেবল কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালেই গতকাল শুক্রবার ২৪ ঘণ্টায় ১০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে সরকারি হিসেবে কুষ্টিয়ায় গত ২০ দিনে ২৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হলো। গতকাল ভর্তি হওয়া ১০ জনের মধ্যে ৬ জন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকি চারজন চিকিৎসা শেষে ফিরে গেছেন। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সপ্তাহখানেক আগেও প্রতিদিন এক থেকে দুজন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছিল। তবে গত তিন দিন থেকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। তিন দিন ধরে প্রতিদিন গড়ে ৫-৬ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হচ্ছে।

জানতে চাইলে শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোছা. নূরুন নাহার বলেন, প্রচারণার কারণে রোগীরা এখন হাসপাতালে আসছে। কেবল শুক্রবারেই ১০ জন ডেঙ্গু রোগীকে শনাক্ত করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হচ্ছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্র বলছে, গত ৭ জুলাই কুষ্টিয়ায় প্রথম ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়। সদর উপজেলার বালিয়াপাড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেন (২১) নামে এক যুবক ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এরপর ১১ জুলাই থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আরও ২৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। যে ছয়জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি, তাঁদের অবস্থা তেমন আশঙ্কাজনক নয় বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এএসএম মুসা কবির বলেন, ধারণা করা হচ্ছিল ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে যাবে। কিন্তু প্রতিদিনই জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডেঙ্গু আক্রান্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে। গত তিন দিনে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার আগে দরকার পৌরসভার উদ্যোগ। জরুরি ভিত্তিতে মশা নিধনে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

জানতে চাইলে শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোছা. নূরুন নাহার বলেন, প্রচারণার কারণে রোগীরা এখন হাসপাতালে আসছে। কেবল শুক্রবারেই ১০ জন ডেঙ্গু রোগীকে শনাক্ত করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোগীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হচ্ছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল সূত্র বলছে, গত ৭ জুলাই কুষ্টিয়ায় প্রথম ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়। সদর উপজেলার বালিয়াপাড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেন (২১) নামে এক যুবক ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এরপর ১১ জুলাই থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আরও ২৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। যে ছয়জন এখনো হাসপাতালে ভর্তি, তাঁদের অবস্থা তেমন আশঙ্কাজনক নয় বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এএসএম মুসা কবির বলেন, ধারণা করা হচ্ছিল ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে যাবে। কিন্তু প্রতিদিনই জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডেঙ্গু আক্রান্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে। গত তিন দিনে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার আগে দরকার পৌরসভার উদ্যোগ। জরুরি ভিত্তিতে মশা নিধনে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র আনোয়ার আলীর দাবি, মশা নিয়ন্ত্রণে পৌরসভা কাজ করছে। নিয়মিত ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। যদিও পৌরসভার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মশার ওষুধ নিয়মিতভাবে ছিটানো হচ্ছে না। পৌরসভা নয়, বরং মশা নিয়ন্ত্রণে মানুষকেই আগে সচেতন হতে হবে বলেও মনে করছেন আনোয়ার আলী। জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক 

আসলাম হোসেন বলেন, জেলায় এডিস মশা বেড়েছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা যেন না বাড়ে সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এডিস মশার বংশবৃদ্ধি যেন না হয় সে ব্যাপারে প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক সভা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

  • Facebook
  • Twitter
  • Digg
  • Linkedin
  • Reddit
  • Google Plus
  • Pinterest
  • Print

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর ....

Counter

Design & Developed BY Anamul Rasel